টিকার অভাবে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির পেছনে যারা দায়ী, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এই দাবি ওঠে।
নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এই বৈঠকে দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যমকর্মী এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।
বক্তারা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হামের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। তারা টিকাদান কর্মসূচি জোরদারকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা উন্নয়ন এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারি ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়।
একজন বক্তা উল্লেখ করেন, টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, যদি ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতার কারণে হামের প্রাদুর্ভাব এত বৃদ্ধি পায় এবং তা যদি শিশু মৃত্যুর কারণ হয়ে থাকে, তবে এর সঙ্গে জড়িতদের তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে অতিথিরা টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত স্বাস্থ্যকর্মীদের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আন্দোলনে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
গোলটেবিল বৈঠকে ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক রুবীনা ইয়াসমিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. হানিফ, ওজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, সাহিত্যিক আনিসুল হক, গবেষক ও রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা, বিএমইউর শিশু রোগ বিভাগের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ইয়ামিন শাহরিয়ার চৌধুরী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. তৌহিদ ইসলাম, বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























