ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আলীকদমে বিশুদ্ধ পানি সংকটে দুর্ভোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম

প্রকাশ :০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৪২

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম

প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলা সদর জুড়ে যখন বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার ছিল, তখন ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘আলীকদম উপজেলা সদরে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অর্থসংকটের অজুহাতে কাজটি শুরুর ছয় মাসের মধ্যে থেমে যায়। প্রায় ১০ বছর পার হলেও এ প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। কাজ শুরুর পর অর্থসংকট দেখিয়ে ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে তারা এগিয়ে আসেনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিগত প্রায় তিন মাস ধরে আলীকদম উপজেলা সদর ও আশেপাশে পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ জনগণ চরমভাবে খাবার পানির সংকটে পড়েছেন। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন থেকে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী জনসাধারণের মাঝে খাবার পানি বিতরণ করে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন থেকে রিংওয়েল স্থাপনে যৎসামান্য প্রকল্প নেওয়া হয়, কিন্তু যখন বৃষ্টি শুরু হয় তখন তা বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে আলীকদম উপজেলা সদরসহ আশপাশের বাসিন্দারা পানির তীব্র সংকটে পড়েন। সংকট নিরসনে পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু করলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নব আরা বেগম জানান, শুধু খাবার পানি নয়, নিত্য ব্যবহার্য পানিরও সংকট রয়েছে পানবাজার এলাকাসহ আশেপাশে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ফারুক পানি সংকট লাঘবে কিছুটা সহায়তা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মনির আহমদ জানান, অসমাপ্ত পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজের জন্য ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি।

প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলা সদর জুড়ে যখন বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার ছিল, তখন ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘আলীকদম উপজেলা সদরে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অর্থসংকটের অজুহাতে কাজটি শুরুর ছয় মাসের মধ্যে থেমে যায়। প্রায় ১০ বছর পার হলেও এ প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। কাজ শুরুর পর অর্থসংকট দেখিয়ে ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে তারা এগিয়ে আসেনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিগত প্রায় তিন মাস ধরে আলীকদম উপজেলা সদর ও আশেপাশে পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ জনগণ চরমভাবে খাবার পানির সংকটে পড়েছেন। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন থেকে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী জনসাধারণের মাঝে খাবার পানি বিতরণ করে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন থেকে রিংওয়েল স্থাপনে যৎসামান্য প্রকল্প নেওয়া হয়, কিন্তু যখন বৃষ্টি শুরু হয় তখন তা বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে আলীকদম উপজেলা সদরসহ আশপাশের বাসিন্দারা পানির তীব্র সংকটে পড়েন। সংকট নিরসনে পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু করলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নব আরা বেগম জানান, শুধু খাবার পানি নয়, নিত্য ব্যবহার্য পানিরও সংকট রয়েছে পানবাজার এলাকাসহ আশেপাশে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ফারুক পানি সংকট লাঘবে কিছুটা সহায়তা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মনির আহমদ জানান, অসমাপ্ত পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজের জন্য ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি।

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

আলীকদমে বিশুদ্ধ পানি সংকটে দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ১০:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম

প্রকাশ :০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৪২

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম

প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলা সদর জুড়ে যখন বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার ছিল, তখন ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘আলীকদম উপজেলা সদরে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অর্থসংকটের অজুহাতে কাজটি শুরুর ছয় মাসের মধ্যে থেমে যায়। প্রায় ১০ বছর পার হলেও এ প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। কাজ শুরুর পর অর্থসংকট দেখিয়ে ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে তারা এগিয়ে আসেনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিগত প্রায় তিন মাস ধরে আলীকদম উপজেলা সদর ও আশেপাশে পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ জনগণ চরমভাবে খাবার পানির সংকটে পড়েছেন। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন থেকে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী জনসাধারণের মাঝে খাবার পানি বিতরণ করে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন থেকে রিংওয়েল স্থাপনে যৎসামান্য প্রকল্প নেওয়া হয়, কিন্তু যখন বৃষ্টি শুরু হয় তখন তা বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে আলীকদম উপজেলা সদরসহ আশপাশের বাসিন্দারা পানির তীব্র সংকটে পড়েন। সংকট নিরসনে পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু করলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নব আরা বেগম জানান, শুধু খাবার পানি নয়, নিত্য ব্যবহার্য পানিরও সংকট রয়েছে পানবাজার এলাকাসহ আশেপাশে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ফারুক পানি সংকট লাঘবে কিছুটা সহায়তা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মনির আহমদ জানান, অসমাপ্ত পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজের জন্য ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি।

প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলা সদর জুড়ে যখন বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য হাহাকার ছিল, তখন ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘আলীকদম উপজেলা সদরে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অর্থসংকটের অজুহাতে কাজটি শুরুর ছয় মাসের মধ্যে থেমে যায়। প্রায় ১০ বছর পার হলেও এ প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। কাজ শুরুর পর অর্থসংকট দেখিয়ে ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে তারা এগিয়ে আসেনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিগত প্রায় তিন মাস ধরে আলীকদম উপজেলা সদর ও আশেপাশে পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ জনগণ চরমভাবে খাবার পানির সংকটে পড়েছেন। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন থেকে প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী জনসাধারণের মাঝে খাবার পানি বিতরণ করে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন থেকে রিংওয়েল স্থাপনে যৎসামান্য প্রকল্প নেওয়া হয়, কিন্তু যখন বৃষ্টি শুরু হয় তখন তা বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে আলীকদম উপজেলা সদরসহ আশপাশের বাসিন্দারা পানির তীব্র সংকটে পড়েন। সংকট নিরসনে পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু করলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নব আরা বেগম জানান, শুধু খাবার পানি নয়, নিত্য ব্যবহার্য পানিরও সংকট রয়েছে পানবাজার এলাকাসহ আশেপাশে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ফারুক পানি সংকট লাঘবে কিছুটা সহায়তা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

জানতে চাইলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মনির আহমদ জানান, অসমাপ্ত পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজের জন্য ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি।

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন