ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বংশালে সাবলেটের আড়ালে দুর্ধর্ষ চুরি: স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ২

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বংশালে একটি ফ্ল্যাট বাসায় সাবলেটে থাকার সুযোগ নিয়ে চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন শেখ জালামিন ও জুয়েলারি দোকানের ম্যানেজার মাধব চন্দ্র ধর। তাদের কাছ থেকে চুরিকৃত স্বর্ণের চেইন, মোবাইল ফোন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বংশালের মালিটোলা রোডের একটি ফ্ল্যাটে শেখ জালামিন ও তার স্ত্রীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। গত ২৫ মার্চ ফ্ল্যাট মালিক সপরিবারে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে যাওয়ার সুযোগে এই চুরির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন জালামিন। মালিক ফিরে এসে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা এবং আলমারি থেকে প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ব্যবসায়িক দলিলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র গায়েব।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে বংশাল থানা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফুলবাড়িয়া মোড় থেকে প্রথমে জালামিনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাঁতীবাজারের একটি জুয়েলারি দোকান থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার এবং দোকানের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করা হয়। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

বংশালে সাবলেটের আড়ালে দুর্ধর্ষ চুরি: স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর বংশালে একটি ফ্ল্যাট বাসায় সাবলেটে থাকার সুযোগ নিয়ে চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন শেখ জালামিন ও জুয়েলারি দোকানের ম্যানেজার মাধব চন্দ্র ধর। তাদের কাছ থেকে চুরিকৃত স্বর্ণের চেইন, মোবাইল ফোন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বংশালের মালিটোলা রোডের একটি ফ্ল্যাটে শেখ জালামিন ও তার স্ত্রীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। গত ২৫ মার্চ ফ্ল্যাট মালিক সপরিবারে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে যাওয়ার সুযোগে এই চুরির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন জালামিন। মালিক ফিরে এসে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা এবং আলমারি থেকে প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ব্যবসায়িক দলিলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র গায়েব।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে বংশাল থানা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফুলবাড়িয়া মোড় থেকে প্রথমে জালামিনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাঁতীবাজারের একটি জুয়েলারি দোকান থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার এবং দোকানের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করা হয়। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।