২০০৭-০৮ সালে দেশে ঘটে যাওয়া এক-এগারোর ঘটনাবলী আজও অনেককে ভাবায়। সেই সময়ের প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব, প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ এবং ডিজিএফআই-এর প্রাক্তন ডিজি, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মামুন খালেদের গ্রেফতারের সংবাদ অনেকের কাছেই স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে। যারা সেই সময়কার পরিস্থিতিকে মেনে নিতে পারেননি, তাদের জন্য এই গ্রেফতার এক ধরনের ন্যায়বিচারের প্রতিফলন।
এক-এগারোর সেই উত্তাল সময়ে যারা এর বিরোধিতা করেছিলেন, তাদের অনেকেরই রাজনৈতিক ও সাংবাদিক জীবনে নতুন মোড় এসেছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই অনেকে লেখালেখির জগতে প্রবেশ করেছেন। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রকাশিত দুটি বই, ‘জাতির পিতা ও অন্যান্য’ এবং ‘এক-এগারো থেকে ডিজিটাল’, আজও প্রাসঙ্গিক। তবে, যারা সেই সময়কালে তরুণ ছিলেন বা জন্মগ্রহণ করেননি, তাদের কাছে এক-এগারোর ঘটনা একটি অস্পষ্ট স্মৃতি। যারা সেই সময় জীবন দিয়ে নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছেন, সেই সাহসী তরুণ প্রজন্মের জন্য এক-এগারোর সেই বৈরী সময়ের তথ্য তুলে ধরাই এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য।
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী দল এবং তিনটি ইসলামপন্থি দলের সমন্বয়ে গঠিত মোর্চা বিপুল আসন নিয়ে বিজয়ী হয়েছিল। এই ফলাফল ভারত, আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু সুশীল সমাজের হিসাবকে ওলটপালট করে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক নাটকীয় মোড় নেয়, যা ‘এক-এগারো’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
রিপোর্টারের নাম 



















