সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, দেশটি হরমুজ প্রণালিতে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্রদের সহায়তা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদি এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে ইরানের আক্রমণের শিকার দেশটি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রথম দেশ হিসেবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।
উপসাগরীয় দেশটি যেকোনো উপায়ে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বাধা অপসারণে বলপ্রয়োগের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশগুলোকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে। আমিরাতের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন যে, তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এমন একটি প্রস্তাব পাসের জন্য কাজ করছে যা এই ধরনের পদক্ষেপকে অনুমোদন দেবে। কূটনীতিকরা বলপূর্বক প্রণালিটি খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ ও এশিয়ার সামরিক শক্তিগুলোকে নিয়ে একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইরানি শাসকগোষ্ঠী মনে করে যে তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়ছে এবং প্রণালিটির ওপর শ্বাসরুদ্ধকর চাপ সৃষ্টি করে তারা বিশ্ব অর্থনীতিকে সঙ্গে নিয়ে ডুবে যেতে প্রস্তুত।’ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান আমিরাতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা প্রতিবেদনের তথ্যটি অস্বীকার করেনি, বরং বলেছে যে ‘হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার বিষয়ে একটি ব্যাপক বৈশ্বিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















