ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে জাপান

জাপান তার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কাছাকাছি, চীনের নিকটবর্তী এলাকায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন যে, এই পদক্ষেপ বেইজিংয়ের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করার একটি প্রয়াস।

কিউশু দ্বীপের কুমামোতোতে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থাপন করা হয়েছে। জাপান সরকার পূর্ব চীন সাগরে চীনের নৌ-বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জাপানের ওপর সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিরোধে সহায়তা করবে এবং সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার, যা চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু অংশকেও আওতাভুক্ত করতে পারে। এছাড়া, ‘হাইপার ভেলোসিটি গ্লাইডিং প্রজেক্টাইল’ নামের একটি উন্নত অস্ত্র শিজুওকা অঞ্চলেও মোতায়েন করা হয়েছে।

ঐতিহ্যগতভাবে জাপান তার সামরিক বাহিনীকে কেবল আত্মরক্ষার কাজেই ব্যবহার করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জাপান ধীরে ধীরে নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াচ্ছে। ২০২২ সালে জাপান পাল্টা আক্রমণ সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা অনুমোদন করে, যা তাদের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

চীন তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে এবং জাপানের সঙ্গে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ (চীনে দিয়াওইউ নামে পরিচিত) নিয়ে বিরোধে জড়িত। সম্প্রতি তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাও দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যে সৌদি আরবের প্রশংসা, ধর্মমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে জাপান

আপডেট সময় : ১০:০১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জাপান তার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কাছাকাছি, চীনের নিকটবর্তী এলাকায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন যে, এই পদক্ষেপ বেইজিংয়ের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করার একটি প্রয়াস।

কিউশু দ্বীপের কুমামোতোতে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থাপন করা হয়েছে। জাপান সরকার পূর্ব চীন সাগরে চীনের নৌ-বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জাপানের ওপর সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিরোধে সহায়তা করবে এবং সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার, যা চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু অংশকেও আওতাভুক্ত করতে পারে। এছাড়া, ‘হাইপার ভেলোসিটি গ্লাইডিং প্রজেক্টাইল’ নামের একটি উন্নত অস্ত্র শিজুওকা অঞ্চলেও মোতায়েন করা হয়েছে।

ঐতিহ্যগতভাবে জাপান তার সামরিক বাহিনীকে কেবল আত্মরক্ষার কাজেই ব্যবহার করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জাপান ধীরে ধীরে নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াচ্ছে। ২০২২ সালে জাপান পাল্টা আক্রমণ সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা অনুমোদন করে, যা তাদের প্রতিরক্ষা নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

চীন তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে এবং জাপানের সঙ্গে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ (চীনে দিয়াওইউ নামে পরিচিত) নিয়ে বিরোধে জড়িত। সম্প্রতি তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাও দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে।