ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ১২৫ বারের মতো পেছাল, নতুন তারিখ ৭ মে

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। আদালত আগামী ৭ মে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। এটি নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২৫ বার পেছালো।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান। এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই-এর অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি, যার কারণে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে তাদের নিজ বাসভবনে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর মামলাটির তদন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিবির মাধ্যমে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, তানভীর রহমান খানসহ কয়েকজন অভিযুক্ত রয়েছেন। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্যরা কারাগারে আটক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেলওয়ের বিজ্ঞাপনে একক নিয়ন্ত্রণের আবেদন: আইনি জটিলতার শঙ্কা

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ১২৫ বারের মতো পেছাল, নতুন তারিখ ৭ মে

আপডেট সময় : ০৯:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। আদালত আগামী ৭ মে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। এটি নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২৫ বার পেছালো।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান। এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই-এর অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি, যার কারণে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে তাদের নিজ বাসভবনে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর মামলাটির তদন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিবির মাধ্যমে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, তানভীর রহমান খানসহ কয়েকজন অভিযুক্ত রয়েছেন। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্যরা কারাগারে আটক রয়েছে।