ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সিংগাইরে ৭ ইটভাটাকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা, তাৎক্ষণিক আদায়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কৃষিজমির উর্বর উপরের মাটি বা টপসয়েল কেটে ইট তৈরির অভিযোগে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায় সাতটি ইটভাটাকে মোট ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সোমবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই জরিমানা আদায় করা হয়।

জরিমানা হওয়া ইটভাটাগুলো হলো: মেসার্স এএবি অ্যান্ড কোং-কে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, জেবিসি ব্রিকস-কে ২ লাখ টাকা, কেএফসি ব্রিকস-কে ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহান ব্রিকস-কে ৪ লাখ টাকা, মেসার্স কেবিসি ব্রিকস-১ ও মেসার্স কেবিসি ব্রিকস-২ প্রত্যেককে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস-কে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযুক্ত ইটভাটার মালিকরা জরিমানার সমুদয় অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেছেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিছু অসাধু ইটভাটা মালিক কৃষিজমির টপসয়েল কেটে ইট উৎপাদন করে আসছিল। এর ফলে জমির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে, ফসল উৎপাদন কমছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “কৃষিজমির টপসয়েল কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশের জন্য হুমকি। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল এবং প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মোজজাফর খান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাঙ্কার্স ক্লাব ক্রিকেট: রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ফাইনালে এনআরবিসি ও সিটি ব্যাংক

সিংগাইরে ৭ ইটভাটাকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা, তাৎক্ষণিক আদায়

আপডেট সময় : ১০:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কৃষিজমির উর্বর উপরের মাটি বা টপসয়েল কেটে ইট তৈরির অভিযোগে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায় সাতটি ইটভাটাকে মোট ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সোমবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই জরিমানা আদায় করা হয়।

জরিমানা হওয়া ইটভাটাগুলো হলো: মেসার্স এএবি অ্যান্ড কোং-কে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, জেবিসি ব্রিকস-কে ২ লাখ টাকা, কেএফসি ব্রিকস-কে ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহান ব্রিকস-কে ৪ লাখ টাকা, মেসার্স কেবিসি ব্রিকস-১ ও মেসার্স কেবিসি ব্রিকস-২ প্রত্যেককে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস-কে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযুক্ত ইটভাটার মালিকরা জরিমানার সমুদয় অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেছেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিছু অসাধু ইটভাটা মালিক কৃষিজমির টপসয়েল কেটে ইট উৎপাদন করে আসছিল। এর ফলে জমির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে, ফসল উৎপাদন কমছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “কৃষিজমির টপসয়েল কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশের জন্য হুমকি। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল এবং প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মোজজাফর খান।