ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ইরানের অবস্থান: নেই কোনো পরিকল্পনা, রয়েছে উদ্বেগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করেনি এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই। সোমবার তেহরানে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেন।

বাগাই আরও জানান, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-তে সই করার পর ইরান কতটা সুফল পাচ্ছে, তা নিয়ে দেশটির সংসদীয় মহল এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও সংশয় তৈরি হয়েছে। ১৯৭০ সালে কার্যকর হওয়া এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা। তবে, এই চুক্তি তার সদস্য দেশগুলোকে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের অধিকারও প্রদান করে।

তিনি বলেন, ইরান এখনো এই চুক্তির সদস্য হিসেবে এর প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু চুক্তির আওতায় একটি সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের যে অধিকারগুলো পাওয়ার কথা, সেগুলো তারা আদৌ ভোগ করতে পারছে কিনা, তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন উঠেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয়ে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। তবে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের এই দাবিকে বিরোধিতা করে আসছে এবং তেহরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির গোপন চেষ্টার অভিযোগও তুলে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ইরানের অবস্থান: নেই কোনো পরিকল্পনা, রয়েছে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০২:১০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করেনি এবং ভবিষ্যতেও এমন কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই। সোমবার তেহরানে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেন।

বাগাই আরও জানান, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-তে সই করার পর ইরান কতটা সুফল পাচ্ছে, তা নিয়ে দেশটির সংসদীয় মহল এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও সংশয় তৈরি হয়েছে। ১৯৭০ সালে কার্যকর হওয়া এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা। তবে, এই চুক্তি তার সদস্য দেশগুলোকে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের অধিকারও প্রদান করে।

তিনি বলেন, ইরান এখনো এই চুক্তির সদস্য হিসেবে এর প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু চুক্তির আওতায় একটি সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের যে অধিকারগুলো পাওয়ার কথা, সেগুলো তারা আদৌ ভোগ করতে পারছে কিনা, তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন উঠেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয়ে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। তবে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের এই দাবিকে বিরোধিতা করে আসছে এবং তেহরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির গোপন চেষ্টার অভিযোগও তুলে আসছে।