ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব: আলোচিত নেতা খুন, ৮ জন গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. নীরব নামে এক কিশোর গ্যাং নেতা খুন হয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার তাদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, রবিবার দুপুরে পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলা বাজার এলাকায় নীরব হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নীরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনির ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নীরব চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং দখলবাজির মতো নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তিনি মাদক ব্যবসা ও একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

এই ঘটনায় নিহত নীরবের বাবা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি বাদী হয়ে রবিবার রাতে সুধারাম থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাঙ্কার্স ক্লাব ক্রিকেট: রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ফাইনালে এনআরবিসি ও সিটি ব্যাংক

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব: আলোচিত নেতা খুন, ৮ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. নীরব নামে এক কিশোর গ্যাং নেতা খুন হয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার তাদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, রবিবার দুপুরে পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলা বাজার এলাকায় নীরব হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নীরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনির ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নীরব চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং দখলবাজির মতো নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তিনি মাদক ব্যবসা ও একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

এই ঘটনায় নিহত নীরবের বাবা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি বাদী হয়ে রবিবার রাতে সুধারাম থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।