কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় ১৯১৭ সালে থানা প্রতিষ্ঠিত হলেও ১০৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে কোনো লাশঘর নির্মিত হয়নি। ফলে মর্গ বা লাশ সংরক্ষণে পড়তে হচ্ছে চরম বিড়ম্বনায়।
সমুদ্র উপকূলীয় এই উপজেলায় সম্প্রতি বিশাল বাজেটে নতুন থানা ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে লাশ রাখার জন্য আলাদা কোনো ঘর তৈরি করা হয়নি। এর ফলে কোনো লাশ উদ্ধার হলে তা ময়নাতদন্তের জন্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠাতে হয়। এতে কেবল সময় নষ্ট হয় না, আর্থিক অপচয়ও হয়।
অনেক সময় উদ্ধারকৃত লাশ দিনের শেষে বা রাতে পাঠানোর সুযোগ থাকে না। সেক্ষেত্রে থানার নিচতলার খোলা মেঝেতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাশ রাখতে হয়। এ সময় শেয়াল-কুকুরের আক্রমণের ভয় থাকে, তাই পুলিশ বা স্বজনদের রাতভর লাশের পাহারায় থাকতে হয়।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুল আলম জানান, দেশের সব থানায় লাশঘর থাকার কথা থাকলেও কুতুবদিয়া থানায় তা নেই। ঝুঁকিপূর্ণ দ্বীপ হওয়ায় এখানে ময়নাতদন্তের সুযোগও সীমিত। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গুরুত্ব সহকারে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























