ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার গাবতলীতে খাল খনন প্রকল্পের প্রায় ২ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্প সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় বরাদ্দকৃত ১ কোটি ৭৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি খালের নাব্য ফিরিয়ে আনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে হাতে নেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি হাতে নেয় এবং নেপালতলী, নশিপুর, সোনারায় ও দক্ষিণ পাড়া ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেয়। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় অব্যবহৃত অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, সরকারি অর্থের অপচয় রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন, যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তার জন্য ব্যয়িত অর্থ পরিশোধের পর বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম জানান, নশিপুর ইউনিয়নে ৪৯ লাখ, দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নে ৩৮ লাখ, সোনারায় ইউনিয়নে প্রায় ৬৪ লাখ এবং নেপালতলী ইউনিয়নে প্রায় ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের কাজে বিলম্বের কারণে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: তদন্তের নির্দেশ ইউএনও’র

বগুড়ার গাবতলীতে খাল খনন প্রকল্পের প্রায় ২ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্প সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় বরাদ্দকৃত ১ কোটি ৭৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি খালের নাব্য ফিরিয়ে আনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে হাতে নেওয়া হয়েছিল।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি হাতে নেয় এবং নেপালতলী, নশিপুর, সোনারায় ও দক্ষিণ পাড়া ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেয়। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় অব্যবহৃত অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, সরকারি অর্থের অপচয় রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন, যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তার জন্য ব্যয়িত অর্থ পরিশোধের পর বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম জানান, নশিপুর ইউনিয়নে ৪৯ লাখ, দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নে ৩৮ লাখ, সোনারায় ইউনিয়নে প্রায় ৬৪ লাখ এবং নেপালতলী ইউনিয়নে প্রায় ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের কাজে বিলম্বের কারণে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।