ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রাম পুলিশের বিচার ও অপসারণ দাবি: ফরিদপুরে মানববন্ধন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদারের বিচার এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। গত বুধবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচিতে শতাধিক গ্রামবাসী অংশ নেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ইউপি সদস্য জিহাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে, তখন গ্রাম পুলিশের সদস্য হয়েও দুলাল সরদার স্থানীয় মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি দুলাল সরদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং চাকরি থেকে অব্যাহতির দাবি জানান।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাহাবুর জানান, দুলাল সরদারকে তার পূর্ববর্তী ইউপি চেয়ারম্যান অনৈতিক উপায়ে চাকরি দিয়েছিলেন। এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও তাকে দুই নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় গ্রাম পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। চেয়ারম্যান আরও বলেন, দুলাল সরদার ইউনিয়ন পরিষদের কাজে ফাঁকি দিয়ে মাদক কারবারিদের সঙ্গে বিশেষ সখ্য গড়ে তুলেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ভাঙ্গা থানা পুলিশ নুরুল্লাগঞ্জের বাড়ি থেকে গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদার এবং তার সহযোগী মাদক কারবারি রনি শেখের স্ত্রী আসমা আক্তারকে ৯০০ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দুলাল সরদারের সার্বিক সহযোগিতায় রনি ও আসমা আক্তার গোটা ইউনিয়ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন। তার কথিত সাংবাদিক আত্মীয়দের প্রভাব খাটিয়ে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন। অবশেষে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তারের পর গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদারের আসল রূপ সবার কাছে উন্মোচিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গরু নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের হাতাহাতি, অভিযোগ দায়ের

মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রাম পুলিশের বিচার ও অপসারণ দাবি: ফরিদপুরে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদারের বিচার এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। গত বুধবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচিতে শতাধিক গ্রামবাসী অংশ নেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ইউপি সদস্য জিহাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে, তখন গ্রাম পুলিশের সদস্য হয়েও দুলাল সরদার স্থানীয় মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি দুলাল সরদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং চাকরি থেকে অব্যাহতির দাবি জানান।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাহাবুর জানান, দুলাল সরদারকে তার পূর্ববর্তী ইউপি চেয়ারম্যান অনৈতিক উপায়ে চাকরি দিয়েছিলেন। এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও তাকে দুই নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় গ্রাম পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। চেয়ারম্যান আরও বলেন, দুলাল সরদার ইউনিয়ন পরিষদের কাজে ফাঁকি দিয়ে মাদক কারবারিদের সঙ্গে বিশেষ সখ্য গড়ে তুলেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ভাঙ্গা থানা পুলিশ নুরুল্লাগঞ্জের বাড়ি থেকে গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদার এবং তার সহযোগী মাদক কারবারি রনি শেখের স্ত্রী আসমা আক্তারকে ৯০০ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দুলাল সরদারের সার্বিক সহযোগিতায় রনি ও আসমা আক্তার গোটা ইউনিয়ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন। তার কথিত সাংবাদিক আত্মীয়দের প্রভাব খাটিয়ে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন। অবশেষে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তারের পর গ্রাম পুলিশ দুলাল সরদারের আসল রূপ সবার কাছে উন্মোচিত হয়।