জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়েছে। রোববার বেলা ৩টায় এই মুলতবি অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে গত ১৫ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছিল।
বর্তমান অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫’ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতসহ তাদের জোটের সদস্যরা আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একাধিক নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, আজকের কার্যসূচিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন কার্যালয় এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের (বিধি-৭১) আওতায় প্রাপ্ত নোটিশগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ মার্চ শুরু হয়েছিল। প্রথম দিনেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটির ১১ জন সদস্য বিএনপি থেকে এবং ৩ জন জামায়াত থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দল ইতোমধ্যে একমত হয়েছে। বাকি ২০টি অধ্যাদেশ নিয়ে কমিটির তৃতীয় বৈঠক আজ রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, অধ্যাদেশ পাস না হলে তা ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল হয়ে যায়। তাই আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো পাস হওয়া জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 
























