ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে গবেষণার নামে অবমূল্যায়ন গ্রহণযোগ্য নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা নিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আলোচনা ও গবেষণা অব্যাহত থাকবে। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কোনো প্রকার গবেষণা বা মন্তব্য যেন দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন না করে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ।’ অতীতকে ভুলে থাকা যেমন উচিত নয়, তেমনি তা যেন ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল জাতীয় নেতাদের গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সাহসী জনগণের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাদের অসামান্য অবদানের ফলেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষভাবে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি এবং ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধ তারই প্রমাণ। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এই নিবন্ধে তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক দলের নয়, এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’। লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার দায়িত্ব সকলের। তিনি বলেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে, যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করি, তাহলে স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শান্তি প্রস্তাবের জবাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে

স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে গবেষণার নামে অবমূল্যায়ন গ্রহণযোগ্য নয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা নিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আলোচনা ও গবেষণা অব্যাহত থাকবে। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কোনো প্রকার গবেষণা বা মন্তব্য যেন দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন না করে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ।’ অতীতকে ভুলে থাকা যেমন উচিত নয়, তেমনি তা যেন ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল জাতীয় নেতাদের গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সাহসী জনগণের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাদের অসামান্য অবদানের ফলেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষভাবে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি এবং ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধ তারই প্রমাণ। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এই নিবন্ধে তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক দলের নয়, এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’। লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার দায়িত্ব সকলের। তিনি বলেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে, যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করি, তাহলে স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন…