ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

১/১১-তে তারেক রহমানের জামিনে ভূমিকা ছিল: আদালতে মামুন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বলেছেন যে ‘এক-এগারো’The 1/11 period-এর সময় তিনি কুমিল্লায় কর্মরত ছিলেন এবং সে সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামিনের ব্যাপারে তিনি সরাসরি ভূমিকা পালন করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন, শেখ মামুন খালেদকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানির সময় অনুমতি নিয়ে শেখ মামুন খালেদ আদালতে এই তথ্য জানান।

বিকেলে ডিবি পুলিশ শেখ মামুনকে আদালতে হাজির করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনে নিহত দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, গত ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং নির্দেশদাতাদের শনাক্তকরণের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এছাড়াও, শেখ মামুনের নির্দেশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

মামুনের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম রিমান্ড বাতিলের জন্য জামিনের আবেদন করেন। তারা বলেন যে মামলার এজাহারে মামুন খালেদের নাম নেই এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ২০১৬ সালে তিনি অবসরে গিয়েছেন এবং একজন পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেবল তার দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন যে আসামি মামুন খালেদ ‘এক-এগারো’The 1/11 period-এর অন্যতম কুশীলব ছিলেন। পরবর্তীকালে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে সহযোগিতা করার পুরস্কারস্বরূপ তাকে ডিজিএফআইয়ের প্রধান করা হয়। তার মেয়াদকালেই আয়নাঘর তৈরি করে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে মারার মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।

পিপি আরও অভিযোগ করেন যে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়ার নেপথ্যে ছিলেন এই মামুন খালেদ। তার নির্দেশেই গত ১৯ জুলাই মিরপুরে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, যার ফলে (বাক্যটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে)।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

১/১১-তে তারেক রহমানের জামিনে ভূমিকা ছিল: আদালতে মামুন

আপডেট সময় : ১০:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বলেছেন যে ‘এক-এগারো’The 1/11 period-এর সময় তিনি কুমিল্লায় কর্মরত ছিলেন এবং সে সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামিনের ব্যাপারে তিনি সরাসরি ভূমিকা পালন করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন, শেখ মামুন খালেদকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানির সময় অনুমতি নিয়ে শেখ মামুন খালেদ আদালতে এই তথ্য জানান।

বিকেলে ডিবি পুলিশ শেখ মামুনকে আদালতে হাজির করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনে নিহত দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, গত ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং নির্দেশদাতাদের শনাক্তকরণের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এছাড়াও, শেখ মামুনের নির্দেশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

মামুনের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম রিমান্ড বাতিলের জন্য জামিনের আবেদন করেন। তারা বলেন যে মামলার এজাহারে মামুন খালেদের নাম নেই এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ২০১৬ সালে তিনি অবসরে গিয়েছেন এবং একজন পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেবল তার দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন যে আসামি মামুন খালেদ ‘এক-এগারো’The 1/11 period-এর অন্যতম কুশীলব ছিলেন। পরবর্তীকালে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে সহযোগিতা করার পুরস্কারস্বরূপ তাকে ডিজিএফআইয়ের প্রধান করা হয়। তার মেয়াদকালেই আয়নাঘর তৈরি করে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে মারার মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।

পিপি আরও অভিযোগ করেন যে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়ার নেপথ্যে ছিলেন এই মামুন খালেদ। তার নির্দেশেই গত ১৯ জুলাই মিরপুরে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, যার ফলে (বাক্যটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে)।