ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কঠোর পাকিস্তান: সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেন নিষিদ্ধ

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনের পথে হাঁটছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকারি সকল গাড়িতে প্রিমিয়াম মানের হাই-অকটেন জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তারা তাদের দাপ্তরিক কাজে এই উচ্চমূল্যের জ্বালানি ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) থেকে জারিকৃত এক আদেশে জানানো হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে হাই-অকটেন ব্যবহার করেন, তবে সেই খরচ তাকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মেটাতে হবে। মূলত ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, তার নেতিবাচক প্রভাব থেকে দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষা দিতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে পাকিস্তান সরকার হাই-অকটেনের ওপর লিটারপ্রতি সারচার্জ ২০০ রুপি থেকে বাড়িয়ে ৩০০ রুপি নির্ধারণ করেছিল। তবে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে গণপরিবহন বা বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। সরকারের ধারণা, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতি মাসে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ৯০০ কোটি রুপি সাশ্রয় হবে, যা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, জ্বালানি সাশ্রয়ে পাকিস্তান সরকার এর আগেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি বরাদ্দ অর্ধেক করা, সপ্তাহে চার দিন অফিস চালু রাখা এবং কর্মীদের জন্য ‘হোম অফিস’ সুবিধা প্রদান। তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে ঢাকায় বিশেষ কনসার্ট: শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কঠোর পাকিস্তান: সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেন নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

তীব্র অর্থনৈতিক সংকট ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনের পথে হাঁটছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকারি সকল গাড়িতে প্রিমিয়াম মানের হাই-অকটেন জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তারা তাদের দাপ্তরিক কাজে এই উচ্চমূল্যের জ্বালানি ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) থেকে জারিকৃত এক আদেশে জানানো হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে হাই-অকটেন ব্যবহার করেন, তবে সেই খরচ তাকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মেটাতে হবে। মূলত ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, তার নেতিবাচক প্রভাব থেকে দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষা দিতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে পাকিস্তান সরকার হাই-অকটেনের ওপর লিটারপ্রতি সারচার্জ ২০০ রুপি থেকে বাড়িয়ে ৩০০ রুপি নির্ধারণ করেছিল। তবে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে গণপরিবহন বা বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি। সরকারের ধারণা, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতি মাসে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ৯০০ কোটি রুপি সাশ্রয় হবে, যা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, জ্বালানি সাশ্রয়ে পাকিস্তান সরকার এর আগেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি বরাদ্দ অর্ধেক করা, সপ্তাহে চার দিন অফিস চালু রাখা এবং কর্মীদের জন্য ‘হোম অফিস’ সুবিধা প্রদান। তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।