ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানে নতুন করে বড় হামলার দাবি ইসরায়েলের, লক্ষ্যবস্তু আইআরজিসি ও ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র

ইরানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রাগারে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এই অভিযানে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আকাশ প্রতিরক্ষা ও স্থলবাহিনীর সদর দপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এছাড়াও কুদস ফোর্সের একটি ঘাঁটি, গোয়েন্দা কেন্দ্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানায় হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেল আবিব।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন সমরাস্ত্র উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোতেও এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এসব সামরিক সাফল্যের দাবি করা হলেও, নিরপেক্ষ কোনো সূত্র বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এখন পর্যন্ত এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে ঢাকায় বিশেষ কনসার্ট: শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

ইরানে নতুন করে বড় হামলার দাবি ইসরায়েলের, লক্ষ্যবস্তু আইআরজিসি ও ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র

আপডেট সময় : ১০:৪২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ইরানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রাগারে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এই অভিযানে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আকাশ প্রতিরক্ষা ও স্থলবাহিনীর সদর দপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এছাড়াও কুদস ফোর্সের একটি ঘাঁটি, গোয়েন্দা কেন্দ্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানায় হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেল আবিব।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন সমরাস্ত্র উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোতেও এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এসব সামরিক সাফল্যের দাবি করা হলেও, নিরপেক্ষ কোনো সূত্র বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এখন পর্যন্ত এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।