ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনা কমিয়ে আনতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তুরস্ক, মিসর এবং পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে এই তিন দেশ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান করছে। সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

কূটনৈতিক এই তৎপরতায় ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্ভাব্য যুদ্ধের ঝুঁকি এড়ানো এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান। তবে ইরান শর্ত দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে হবে। কারণ তেহরান মনে করে, বর্তমান উত্তেজনার জন্য ওয়াশিংটনের নীতিই প্রধানত দায়ী।

এদিকে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কায়রো এই সংঘাতের বিস্তার রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা কাতারসহ অন্যান্য বন্ধুরাষ্ট্রের সাথেও সমন্বয় করছে। হোয়াইট হাউস এই আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে না চাইলেও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে ঢাকায় বিশেষ কনসার্ট: শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে তুরস্ক, মিসর ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনা কমিয়ে আনতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে তুরস্ক, মিসর এবং পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে এই তিন দেশ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান করছে। সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজতে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

কূটনৈতিক এই তৎপরতায় ইতিবাচক অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্ভাব্য যুদ্ধের ঝুঁকি এড়ানো এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান। তবে ইরান শর্ত দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে হবে। কারণ তেহরান মনে করে, বর্তমান উত্তেজনার জন্য ওয়াশিংটনের নীতিই প্রধানত দায়ী।

এদিকে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কায়রো এই সংঘাতের বিস্তার রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা কাতারসহ অন্যান্য বন্ধুরাষ্ট্রের সাথেও সমন্বয় করছে। হোয়াইট হাউস এই আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে না চাইলেও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।