ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি: ইরানের প্রেসিডেন্টের চোখে যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া নীতি

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়ে ‘নিশ্চহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি আসলে যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া মনোভাবেরই প্রকাশ। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, যারা ইরানের ওপর হামলাকারী নয়, তাদের সকলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নৌ চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ‘কোনো প্রকার হুমকি ছাড়াই’ খুলে না দেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেবে। তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, “যদি ইরান ঠিক এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে খুলে না দেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হেনে সেগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। এবং শুরুটা হবে সবচেয়ে বড়টি দিয়ে!”

এর জবাবে তেহরান জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো ধরনের হামলা হলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংশ্লিষ্ট পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালাবে। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়, তাহলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জরুরি অবকাঠামোতে ‘অপূরণীয় ধ্বংসযজ্ঞ’ চালানো হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে ঢাকায় বিশেষ কনসার্ট: শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি: ইরানের প্রেসিডেন্টের চোখে যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া নীতি

আপডেট সময় : ০৬:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়ে ‘নিশ্চহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি আসলে যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া মনোভাবেরই প্রকাশ। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, যারা ইরানের ওপর হামলাকারী নয়, তাদের সকলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নৌ চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ‘কোনো প্রকার হুমকি ছাড়াই’ খুলে না দেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেবে। তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, “যদি ইরান ঠিক এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে খুলে না দেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হেনে সেগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। এবং শুরুটা হবে সবচেয়ে বড়টি দিয়ে!”

এর জবাবে তেহরান জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো ধরনের হামলা হলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংশ্লিষ্ট পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালাবে। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়, তাহলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জরুরি অবকাঠামোতে ‘অপূরণীয় ধ্বংসযজ্ঞ’ চালানো হবে।