চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে এশিয়ার বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২২ মার্চ) তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে এসব খাতের ব্যবসায়ীরা প্রভাবিত হয়েছেন।
সোমবার অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৩.৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, জাপানের নিক্কেই শেয়ার সূচক ৩.৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৬.৫ শতাংশ কমেছে।
গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে না দিলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেবেন। এর জবাবে ইরান জানিয়েছে, এ ধরনের যেকোনো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির চেয়ারম্যান ও প্রধান বিশ্লেষক সাইমন ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, বাজার ব্যবস্থা এখন হুমকির কার্যকারিতার দিকে নজর রাখছে। তিনি বিবিসিকে বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবকাঠামোতে হামলা করে, তবে তা যুদ্ধের তীব্রতাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেবে। তখন আমাদের দেখতে হবে যে ইরানও গত সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে যেমনটা করে আসছে, তেমনভাবে পাল্টা অবকাঠামোগত হামলা চালায় কিনা।”
রিপোর্টারের নাম 
























