ভারত মহাসাগরের ব্রিটিশ-মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটি ডিয়েগো গার্সিয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত জনগণকে জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। হামলার চেষ্টার প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পর, মার্কিন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করার পরেই ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা স্বীকার করেছে।
ডিয়েগো গার্সিয়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, যা যুক্তরাজ্য থেকে দীর্ঘমেয়াদী ইজারায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কেমি ব্যাডেনক, একজন বিশিষ্ট কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিবিদ এবং বিরোধী দলের নেতা, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার সংস্কৃতি’ ধরে রাখার অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, সরকার কেন জনগণকে আগে জানায়নি।
ডেইলি মেইলের জন্য লেখা এক নিবন্ধে কেমি ব্যাডেনক বলেছেন, লেবার সরকারের গোপনীয়তাই তাদের চরিত্র ফুটিয়ে তোলে। তারা খারাপ খবরের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে তা লুকাতে বেশি পছন্দ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো গোপন রাখা উচিত হলেও, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে সংসদ এবং জনসাধারণকে অবশ্যই অবহিত করা উচিত।
গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে শুক্রবার ভোর ২টার মধ্যে ইরান চাগোস দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিতে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ডিয়েগো গার্সিয়া ইরান থেকে ২ হাজার ৩৬০ মাইল দূরে অবস্থিত হলেও, কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই তার লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি। একটি ক্ষেপণাস্ত্র একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভূপাতিত করে এবং অন্যটি প্রায় ১,৯৯০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে সমুদ্রে পতিত হয়। হামলার প্রথম প্রতিবেদনটি শনিবার যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত হয়, যা ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর। যুক্তরাজ্যের সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে সিএনএন আরও বিস্তারিত তথ্যসহ এটি নিশ্চিত করে।
রিপোর্টারের নাম 
























