ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক অর্থনীতি চরম ঝুঁকির মুখে: আইইএ প্রধানের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ হুমকির মুখে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি বর্তমান জ্বালানি সংকটকে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়েও গুরুতর বলে অভিহিত করেছেন।

ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফতিহ বিরল বলেন, আজকের পরিস্থিতি আসলে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই সংকট যদি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্বের কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে রেহাই পাবে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রচেষ্টা এখন অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

আইইএ প্রধান আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ওই অঞ্চলের প্রায় ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইইএ এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ শুরু হওয়াটা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং প্রয়োজনে মজুত তেল বাজারে ছাড়তে প্রস্তুত থাকার কথা জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মানব পাচারকারী আটক

বৈশ্বিক অর্থনীতি চরম ঝুঁকির মুখে: আইইএ প্রধানের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ হুমকির মুখে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি বর্তমান জ্বালানি সংকটকে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়েও গুরুতর বলে অভিহিত করেছেন।

ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফতিহ বিরল বলেন, আজকের পরিস্থিতি আসলে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই সংকট যদি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্বের কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে রেহাই পাবে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রচেষ্টা এখন অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

আইইএ প্রধান আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ওই অঞ্চলের প্রায় ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইইএ এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ শুরু হওয়াটা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং প্রয়োজনে মজুত তেল বাজারে ছাড়তে প্রস্তুত থাকার কথা জানান।