ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে যুক্তরাজ্য: পাইকারি গ্যাসের দাম বাড়ল ১৪০ শতাংশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। এর ফলে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম এক লাফে প্রায় ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি থার্ম গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর দেশটিতে সর্বোচ্চ। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ব্রিটিশ বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

সম্প্রতি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। এর জবাবে ইরানও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থাপনা এই সংঘাতের কবলে পড়েছে। এছাড়া কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্য তার জ্বালানি চাহিদার বড় একটি অংশ কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো অস্থিতিশীলতা সরাসরি ব্রিটিশ গ্রাহকদের ওপর প্রভাব ফেলে। বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দার ঝুঁকি তৈরি করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি নেতাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, ৯ জন আটক

জ্বালানি সংকটে যুক্তরাজ্য: পাইকারি গ্যাসের দাম বাড়ল ১৪০ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৮:০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। এর ফলে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম এক লাফে প্রায় ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি থার্ম গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর দেশটিতে সর্বোচ্চ। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ব্রিটিশ বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

সম্প্রতি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। এর জবাবে ইরানও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থাপনা এই সংঘাতের কবলে পড়েছে। এছাড়া কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্য তার জ্বালানি চাহিদার বড় একটি অংশ কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো অস্থিতিশীলতা সরাসরি ব্রিটিশ গ্রাহকদের ওপর প্রভাব ফেলে। বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দার ঝুঁকি তৈরি করবে।