ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাব: মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ভয়াবহ হামলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চার প্রতিবেশী দেশের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে তেহরান। যুদ্ধের ২০তম দিনে কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে কাতারের প্রধান গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে ড্রোন হামলায় একটি ইউনিটে আগুন ধরে যায়। এছাড়া মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাস স্থাপনা এবং বাব তেলক্ষেত্রেও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ধ্বংসাবশেষ পড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের কাছে আরামকোর সামরেফ শোধনাগারে একটি ড্রোন আছড়ে পড়েছে। এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি নেতাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, ৯ জন আটক

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাব: মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ভয়াবহ হামলা

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চার প্রতিবেশী দেশের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে তেহরান। যুদ্ধের ২০তম দিনে কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে কাতারের প্রধান গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে ড্রোন হামলায় একটি ইউনিটে আগুন ধরে যায়। এছাড়া মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাস স্থাপনা এবং বাব তেলক্ষেত্রেও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ধ্বংসাবশেষ পড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের কাছে আরামকোর সামরেফ শোধনাগারে একটি ড্রোন আছড়ে পড়েছে। এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।