ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

কাতারে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা: বিদ্যুৎ সংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প উৎপাদনে স্থবিরতার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। এই তিন দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কাতার থেকে আসে। রাস লাফান স্থাপনাটি কাতারের জ্বালানি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব সরাসরি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ তার চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ এবং পাকিস্তান ৯৯ শতাংশ এলএনজি কাতার থেকে আমদানি করে। অন্যদিকে ভারত তাদের মোট চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি এলএনজি এই দেশটি থেকে সংগ্রহ করে। ফলে এই স্থাপনায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া মানেই এই দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়া।

হামলার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেশি হলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে লোডশেডিং ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন সংকট তীব্রতর করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি নেতাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, ৯ জন আটক

কাতারে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা: বিদ্যুৎ সংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প উৎপাদনে স্থবিরতার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। এই তিন দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কাতার থেকে আসে। রাস লাফান স্থাপনাটি কাতারের জ্বালানি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব সরাসরি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ তার চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ এবং পাকিস্তান ৯৯ শতাংশ এলএনজি কাতার থেকে আমদানি করে। অন্যদিকে ভারত তাদের মোট চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি এলএনজি এই দেশটি থেকে সংগ্রহ করে। ফলে এই স্থাপনায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া মানেই এই দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়া।

হামলার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেশি হলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে লোডশেডিং ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন সংকট তীব্রতর করবে।