ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

শিডিউল বিপর্যয়ে স্থবির রেলওয়ে স্টেশন, প্ল্যাটফর্মে হাজারো মানুষের ভোগান্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে ঈদযাত্রার শুরুতেই রেলপথে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়। বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর সময়সূচি ওলটপালট হয়ে গেছে। এর ফলে রাজধানীর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম যাত্রীদের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ। দীর্ঘ সময় ট্রেনের অপেক্ষায় থেকে ক্লান্ত যাত্রীরা কেউ ব্যাগপত্রের ওপর বসে, আবার কেউ দাঁড়িয়েই সময় পার করছেন। বিশেষ করে নীলসাগর ও একতা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। সকালের ট্রেন বিকেলে ছাড়ার ঘোষণায় অনেক পরিবারকে স্টেশনেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেক যাত্রীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। বিশেষ করে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলেও বিলম্বিত ট্রেনের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলোচিত সংবাদ: ট্রেজারি বিল-বন্ডে সাধারণ মানুষের আগ্রহ, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ও অন্যান্য

শিডিউল বিপর্যয়ে স্থবির রেলওয়ে স্টেশন, প্ল্যাটফর্মে হাজারো মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে ঈদযাত্রার শুরুতেই রেলপথে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়। বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর সময়সূচি ওলটপালট হয়ে গেছে। এর ফলে রাজধানীর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম যাত্রীদের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ। দীর্ঘ সময় ট্রেনের অপেক্ষায় থেকে ক্লান্ত যাত্রীরা কেউ ব্যাগপত্রের ওপর বসে, আবার কেউ দাঁড়িয়েই সময় পার করছেন। বিশেষ করে নীলসাগর ও একতা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। সকালের ট্রেন বিকেলে ছাড়ার ঘোষণায় অনেক পরিবারকে স্টেশনেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেক যাত্রীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। বিশেষ করে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলেও বিলম্বিত ট্রেনের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।