রাজধানীর শাহবাগের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবুল ইসলাম (২২) নামের এক কলেজছাত্রকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে পটুয়াখালী ও খুলনা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছিল এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল।
ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৫ মার্চ। সেদিন শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিবুল। হঠাৎ কিছু যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। সেসময় উপস্থিত লোকজন হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে। নিহত রাকিবুল ইসলামের বাড়ি ভোলার সদর উপজেলায়। তিনি বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী।
রাকিবের লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার শরীরে অন্তত পাঁচটি গভীর কোপের চিহ্ন এবং পিঠ ও পেটে গুলির আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মোটরসাইকেল পার্ক করার পরপরই ওত পেতে থাকা ৫-৬ জন সশস্ত্র হামলাকারী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রাকিবুল ইসলাম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘রাকিব আহম্মেদ’ নামে কনটেন্ট তৈরি করতেন।
রিপোর্টারের নাম 
























