ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে দেশজুড়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। মূলত কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষিদের একটি নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলায় এই প্রি-পাইলটিং প্রকল্প শুরু হবে। এর আওতায় প্রথম ধাপে ২১ হাজার ৫০০ কৃষককে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই কার্ডটি মূলত একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা কৃষি উপকরণ যেমন—সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য বছরে আড়াই হাজার টাকা করে প্রণোদনা পাবেন। টাঙ্গাইল ছাড়াও পঞ্চগড়, বগুড়া, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, কক্সবাজার, কুমিল্লা, জামালপুর, রাজবাড়ী ও মৌলভীবাজারের নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায় এই কার্যক্রম চলবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণের ফলে প্রকৃত চাষিরা সহজেই রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বৈঠকে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হামলার অভিযোগে খাগড়াছড়িতে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে দেশজুড়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। মূলত কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষিদের একটি নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলায় এই প্রি-পাইলটিং প্রকল্প শুরু হবে। এর আওতায় প্রথম ধাপে ২১ হাজার ৫০০ কৃষককে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই কার্ডটি মূলত একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা কৃষি উপকরণ যেমন—সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয়ের জন্য বছরে আড়াই হাজার টাকা করে প্রণোদনা পাবেন। টাঙ্গাইল ছাড়াও পঞ্চগড়, বগুড়া, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, কক্সবাজার, কুমিল্লা, জামালপুর, রাজবাড়ী ও মৌলভীবাজারের নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায় এই কার্যক্রম চলবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণের ফলে প্রকৃত চাষিরা সহজেই রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বৈঠকে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।