ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি

দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং তামাক চাষের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট। সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশে তামাক চাষের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে ৯৩ হাজার একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার একরে। এই বিপুল পরিমাণ জমিতে তামাক চাষের ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এখন বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।

সংগঠনটি আরও জানায়, অনিয়ন্ত্রিত তামাক উৎপাদন একদিকে যেমন খাদ্য সংকট তৈরি করছে, অন্যদিকে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকার জনস্বার্থে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’ এবং ‘কৃষিজমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ প্রণয়ন করলেও একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল এর বিরোধিতা করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে এসব অধ্যাদেশ কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাকের কারণে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ৮৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তামাক চাষের ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং কৃষি জমি সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষ করে তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ বন্ধ এবং এক বা দুই ফসলি জমিতে এর চাষ পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জোটটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হামলার অভিযোগে খাগড়াছড়িতে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি

আপডেট সময় : ০৭:০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং তামাক চাষের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট। সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশে তামাক চাষের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে ৯৩ হাজার একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার একরে। এই বিপুল পরিমাণ জমিতে তামাক চাষের ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এখন বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।

সংগঠনটি আরও জানায়, অনিয়ন্ত্রিত তামাক উৎপাদন একদিকে যেমন খাদ্য সংকট তৈরি করছে, অন্যদিকে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকার জনস্বার্থে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’ এবং ‘কৃষিজমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ প্রণয়ন করলেও একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল এর বিরোধিতা করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে এসব অধ্যাদেশ কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাকের কারণে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ৮৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তামাক চাষের ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং কৃষি জমি সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষ করে তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ বন্ধ এবং এক বা দুই ফসলি জমিতে এর চাষ পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জোটটি।