ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

ঈদযাত্রায় পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার: সাইবার ঝুঁকি এড়াতে যা করবেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঈদ উদযাপনের এই সময়ে বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর কিংবা শপিং মলের মতো জনাকীর্ণ স্থানে বিনামূল্যে পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার প্রবণতা বেড়ে যায়। তবে সামান্য এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সাধারণত এনক্রিপ্টেড থাকে না, ফলে হ্যাকাররা সহজেই ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং ডিটেইলস হাতিয়ে নিতে পারে। এছাড়া ‘ম্যান-ইন-দ্য-মিডল’ অ্যাটাকের মাধ্যমে আপনার ডিভাইসের তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করাও সম্ভব। অনেক সময় হ্যাকাররা পরিচিত নামের আদলে ভুয়া হটস্পট তৈরি করে রাখে, যেখানে যুক্ত হওয়া মাত্রই আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই ঝুঁকি এড়াতে কিছু জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। পাবলিক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকাকালীন যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকতে ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করা একটি কার্যকর উপায়, কারণ এটি আপনার ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে রাখে। এছাড়া ব্রাউজারে সব সময় ‘HTTPS’ যুক্ত নিরাপদ ওয়েবসাইট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের ‘অটো-কানেক্ট’ ফিচারটি বন্ধ রাখা উচিত। এর ফলে আপনার অনুমতি ছাড়া ডিভাইসটি কোনো অপরিচিত নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে না। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইমেইল অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখা এবং ডিভাইসের নিরাপত্তা সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতাই পারে আপনার ঈদযাত্রাকে প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ রাখতে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে নতুন যুগের সূচনা: ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ – মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বার্তা

ঈদযাত্রায় পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার: সাইবার ঝুঁকি এড়াতে যা করবেন

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঈদ উদযাপনের এই সময়ে বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর কিংবা শপিং মলের মতো জনাকীর্ণ স্থানে বিনামূল্যে পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার প্রবণতা বেড়ে যায়। তবে সামান্য এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সাধারণত এনক্রিপ্টেড থাকে না, ফলে হ্যাকাররা সহজেই ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং ডিটেইলস হাতিয়ে নিতে পারে। এছাড়া ‘ম্যান-ইন-দ্য-মিডল’ অ্যাটাকের মাধ্যমে আপনার ডিভাইসের তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করাও সম্ভব। অনেক সময় হ্যাকাররা পরিচিত নামের আদলে ভুয়া হটস্পট তৈরি করে রাখে, যেখানে যুক্ত হওয়া মাত্রই আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই ঝুঁকি এড়াতে কিছু জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। পাবলিক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকাকালীন যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকতে ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করা একটি কার্যকর উপায়, কারণ এটি আপনার ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে রাখে। এছাড়া ব্রাউজারে সব সময় ‘HTTPS’ যুক্ত নিরাপদ ওয়েবসাইট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের ‘অটো-কানেক্ট’ ফিচারটি বন্ধ রাখা উচিত। এর ফলে আপনার অনুমতি ছাড়া ডিভাইসটি কোনো অপরিচিত নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে না। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইমেইল অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখা এবং ডিভাইসের নিরাপত্তা সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতাই পারে আপনার ঈদযাত্রাকে প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ রাখতে।