ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মায়ের স্মৃতিতে ঘেরা শেষ রমজান ও বিষাদময় ঈদ

মায়ের স্মৃতি মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তেমনি এক বিষাদময় অথচ মধুর স্মৃতি নিয়ে কাটে প্রতিটি মুহূর্ত। গত হিজরি বছরের রমজান মাসটি ছিল এক সন্তানের জন্য তার মায়ের সঙ্গে কাটানো শেষ রমজান। দীর্ঘ আট-নয় বছর অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী থাকলেও মায়ের মুখে সব সময় লেগে থাকত অমলিন হাসি। সাদা বেলি ফুলের মতো সেই হাসি আর স্নেহের পরশে সন্তানদের আগলে রাখতেন তিনি।

গত ঈদুল ফিতরের সেই দিনগুলো আজ কেবলই স্মৃতি। ঈদের দিন ব্যস্ততার কারণে দেখা না হলেও পরদিন মায়ের প্রিয় আইসক্রিম নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সন্তান। মায়ের শেষ আবদার ছিল চাপিলা মাছের ভুনা খাওয়া। নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ানোর সেই দুপুরটি ছিল অনাবিল প্রশান্তির। মায়ের সেই শান্ত চাহনি আর নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কাটানো সময়গুলো এখন কেবলই হাহাকার তৈরি করে।

ঈদের মাত্র সাত দিন পর এক বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রিয় জননী। আজ আবার যখন কদরের রাত আর ঈদের আনন্দ দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখন মায়ের শূন্যতা আরও বেশি করে অনুভূত হচ্ছে। ঘরজুড়ে সেই চিরচেনা মানুষটি নেই, আছে কেবল তাঁর রেখে যাওয়া স্মৃতি আর পরম করুণাময়ের কাছে তাঁর জান্নাত কামনার আকুতি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বিরোধে বাবাকে হত্যা, ছেলে আশঙ্কাজনক

মায়ের স্মৃতিতে ঘেরা শেষ রমজান ও বিষাদময় ঈদ

আপডেট সময় : ০২:৩১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মায়ের স্মৃতি মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তেমনি এক বিষাদময় অথচ মধুর স্মৃতি নিয়ে কাটে প্রতিটি মুহূর্ত। গত হিজরি বছরের রমজান মাসটি ছিল এক সন্তানের জন্য তার মায়ের সঙ্গে কাটানো শেষ রমজান। দীর্ঘ আট-নয় বছর অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী থাকলেও মায়ের মুখে সব সময় লেগে থাকত অমলিন হাসি। সাদা বেলি ফুলের মতো সেই হাসি আর স্নেহের পরশে সন্তানদের আগলে রাখতেন তিনি।

গত ঈদুল ফিতরের সেই দিনগুলো আজ কেবলই স্মৃতি। ঈদের দিন ব্যস্ততার কারণে দেখা না হলেও পরদিন মায়ের প্রিয় আইসক্রিম নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সন্তান। মায়ের শেষ আবদার ছিল চাপিলা মাছের ভুনা খাওয়া। নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ানোর সেই দুপুরটি ছিল অনাবিল প্রশান্তির। মায়ের সেই শান্ত চাহনি আর নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কাটানো সময়গুলো এখন কেবলই হাহাকার তৈরি করে।

ঈদের মাত্র সাত দিন পর এক বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রিয় জননী। আজ আবার যখন কদরের রাত আর ঈদের আনন্দ দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখন মায়ের শূন্যতা আরও বেশি করে অনুভূত হচ্ছে। ঘরজুড়ে সেই চিরচেনা মানুষটি নেই, আছে কেবল তাঁর রেখে যাওয়া স্মৃতি আর পরম করুণাময়ের কাছে তাঁর জান্নাত কামনার আকুতি।