সাত বছরের ছোট্ট শিশু রিফাতের কাছে ঈদ মানেই ছিল মায়ের সাথে বর্ণিল কেনাকাটা আর পছন্দের রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া। মা রাহেলা শবনম রিফাতকে শিখিয়েছিলেন আর্তমানবতার সেবা করতে, তাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে তারা মাঝেমধ্যে পথশিশুদের সাথেও খাবার খেতেন। কিন্তু এবারের ঈদ রিফাতের জীবনে নিয়ে এসেছে এক অপূরণীয় শূন্যতা। এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেছেন তার প্রিয় মা।
মা ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারতো না যে শিশুটি, তার দিন এখন কাটছে দীর্ঘশ্বাসে। পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও রিফাতের অবুঝ মন এখনো মায়ের ফেরার অপেক্ষায় থাকে। রাতে ঘুমানোর আগে মায়ের জন্য কান্না করা রিফাত এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে তার মা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। দাদুর কাছে তার একটাই বায়না, কবে তার মা আসবে আর কবে সে মায়ের হাতের পায়েস খাবে।
ঈদের সকালে যেখানে ঘরে ঘরে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়, রিফাতের ঘরে সেখানে শুধুই হাহাকার। নতুন জামা কেনা হলেও মায়ের অভাব তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। আকাশের তারার মাঝে মাকে খুঁজে বেড়ানো এই শিশুর কাছে এবারের ঈদ কোনো উৎসব নয়, বরং এক অসহনীয় যন্ত্রণার নাম। মা ছাড়া প্রথম এই ঈদ রিফাতের জীবনে এক বিয়োগান্তক স্মৃতি হয়ে রইল।
রিপোর্টারের নাম 
























