ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জে শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দিশেহারা কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও নজিরবিহীন শিলাবৃষ্টিতে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধানের থোড় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবং গাছ নুয়ে পড়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে সদর, তাহিরপুর ও জগন্নাথপুরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় শিলাবৃষ্টির তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি, যা গত এক দশকেও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের আশা থাকলেও শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক হাওরে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় ফসল তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না।

এদিকে হাওর রক্ষা বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ। বৃষ্টির চাপে বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ায় এবং সংস্কার কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ফসলহানির আশঙ্কায় রাত জাগছেন হাওরবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করলেও কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না। একমাত্র ফসলের ওপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলের মানুষের এখন প্রধান দুশ্চিন্তা ফসল ঘরে তোলা নিয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তি বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

সুনামগঞ্জে শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দিশেহারা কৃষক

আপডেট সময় : ০১:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও নজিরবিহীন শিলাবৃষ্টিতে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধানের থোড় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবং গাছ নুয়ে পড়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে সদর, তাহিরপুর ও জগন্নাথপুরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় শিলাবৃষ্টির তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি, যা গত এক দশকেও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের আশা থাকলেও শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক হাওরে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় ফসল তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না।

এদিকে হাওর রক্ষা বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ। বৃষ্টির চাপে বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ায় এবং সংস্কার কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ফসলহানির আশঙ্কায় রাত জাগছেন হাওরবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করলেও কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না। একমাত্র ফসলের ওপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলের মানুষের এখন প্রধান দুশ্চিন্তা ফসল ঘরে তোলা নিয়ে।