ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বাণিজ্যিক বিরোধ নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে নীতি সংশোধনের আহ্বান চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাণিজ্যনীতিকে ত্রুটিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তা দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছে চীন। সম্প্রতি প্যারিসে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর বেইজিং এই প্রতিক্রিয়া জানায়। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং মার্কিন পক্ষকে তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সরে আসা প্রয়োজন।

সোমবার চীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে, প্যারিসে চলমান আলোচনা সভায় তারা ওয়াশিংটনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বেইজিং মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক এক তদন্তে চীনসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের অর্থনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বাধ্যতামূলক শ্রমের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না এবং তাদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড মার্কিন বাজারের জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে কি না তা খতিয়ে দেখা। চীন এই প্রক্রিয়াকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় পর্যটন ভিসা চালুর চেষ্টা চলছে: হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

বাণিজ্যিক বিরোধ নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে নীতি সংশোধনের আহ্বান চীনের

আপডেট সময় : ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাণিজ্যনীতিকে ত্রুটিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তা দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছে চীন। সম্প্রতি প্যারিসে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর বেইজিং এই প্রতিক্রিয়া জানায়। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং মার্কিন পক্ষকে তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সরে আসা প্রয়োজন।

সোমবার চীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে, প্যারিসে চলমান আলোচনা সভায় তারা ওয়াশিংটনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বেইজিং মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক এক তদন্তে চীনসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের অর্থনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বাধ্যতামূলক শ্রমের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না এবং তাদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড মার্কিন বাজারের জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে কি না তা খতিয়ে দেখা। চীন এই প্রক্রিয়াকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছে।