রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় অকাল বর্ষণে তলিয়ে গেছে শত শত একর আলুর খেত। গত বছরের লোকসান কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে বুকভরা আশা নিয়ে চাষাবাদ শুরু করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে স্থানীয় কৃষকরা। মাঠের পর মাঠ পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ আলু, যা প্রান্তিক চাষিদের অস্তিত্বকে সংকটে ফেলেছে।
উপজেলার পারুল, কল্যাণী ও ছাওলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা সেচ পাম্প বা থালা-বাটি দিয়ে খেত থেকে পানি সরানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তবে বৃষ্টির তীব্রতায় সেই চেষ্টা খুব একটা কাজে আসছে না। গত বছর উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে আলু বিক্রি করে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়া কৃষকরা এবার চড়া দামে সার ও বীজ কিনেছিলেন। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার আগ মুহূর্তে এই বৃষ্টি তাদের সব আশা ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, গত বছর প্রতি কেজিতে বড় অঙ্কের লোকসান দেওয়ার পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে লাভের বদলে পুঁজি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের। সরকারি সহায়তা না পেলে কৃষি কাজ থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় কৃষি বিভাগের মতে, দ্রুত আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে উৎপাদিত ফসলের প্রায় ২৫ শতাংশ পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























