জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রো সতর্ক করেছেন যে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও সার সরবরাহে যে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে, তাতে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ যদি আগামীকালই শেষ হয়, তবুও এর প্রভাব ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং এটি ৩ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্যে ঠেলে দেবে।’ তিনি আরও জানান, মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি চরমে পৌঁছাবে এবং তা মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হবে।
ডি ক্রো আরও উল্লেখ করেন যে, এই সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ০.৫ থেকে ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি করেছে। তার মতে, ‘যে অগ্রগতি গড়ে তুলতে দশক লেগে যায়, যুদ্ধের মাত্র কয়েক সপ্তাহেই তা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’ এদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সারবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাব এখনও কার্যকর হয়নি বলে ফ্রান্স ২৪ ও পাসব্লু জানিয়েছে। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি জানিয়েছেন, জাতিসংঘের অনুরোধ এলে ইরান ওই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনুমতি দেবে। তবে, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ মিশন।
রিপোর্টারের নাম 





















