ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সাগরিকার তপ্ত দুপুরে শান্ত-লিটনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের তীব্র দাবদাহ ও আর্দ্রতা উপেক্ষা করে সাগরিকায় ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। ম্যাচের শুরুতে মাত্র ৩২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে যখন বাংলাদেশ বিপর্যয়ের মুখে, তখন দলের হাল ধরেন এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই মূলত ম্যাচে ফেরার রসদ পায় স্বাগতিকরা। দীর্ঘ ১৭৮ বলের জুটিতে তারা সংগ্রহ করেন ১৬০ রান, যা দলের স্কোরবোর্ডকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যায়।

শান্ত ও লিটনের জুটির বিশেষত্ব ছিল তাদের ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তা। প্রচণ্ড গরমে উইকেট কামড়ে পড়ে থেকে তারা দুজন মিলে ১৩৮ মিনিট ক্রিজে সময় কাটান। শান্ত ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং লিটন তুলে নেন নিজের ১৩তম অর্ধশতক। যদিও শুরুটা ছিল ধীরগতির, তবে ডট বলের চাপ সামলে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারির মাধ্যমে তারা রানের গতি সচল রাখেন। তাদের এই জুটি কেবল দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেনি, বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কীভাবে ধৈর্য ধরে খেলতে হয়, তার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভুয়া স্ক্রিনশট ঘিরে ছাত্রদল-শিবির সংঘাত: নেপথ্যে লীগের উসকানির প্রমাণ পেয়েছে ‘বাংলা ফ্যাক্ট’

সাগরিকার তপ্ত দুপুরে শান্ত-লিটনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের তীব্র দাবদাহ ও আর্দ্রতা উপেক্ষা করে সাগরিকায় ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। ম্যাচের শুরুতে মাত্র ৩২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে যখন বাংলাদেশ বিপর্যয়ের মুখে, তখন দলের হাল ধরেন এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই মূলত ম্যাচে ফেরার রসদ পায় স্বাগতিকরা। দীর্ঘ ১৭৮ বলের জুটিতে তারা সংগ্রহ করেন ১৬০ রান, যা দলের স্কোরবোর্ডকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যায়।

শান্ত ও লিটনের জুটির বিশেষত্ব ছিল তাদের ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তা। প্রচণ্ড গরমে উইকেট কামড়ে পড়ে থেকে তারা দুজন মিলে ১৩৮ মিনিট ক্রিজে সময় কাটান। শান্ত ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং লিটন তুলে নেন নিজের ১৩তম অর্ধশতক। যদিও শুরুটা ছিল ধীরগতির, তবে ডট বলের চাপ সামলে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারির মাধ্যমে তারা রানের গতি সচল রাখেন। তাদের এই জুটি কেবল দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেনি, বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কীভাবে ধৈর্য ধরে খেলতে হয়, তার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।