ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি ভোলার প্রায় তিন লাখ জেলে। দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও চাল বরাদ্দ না পৌঁছানোয় চরম সংকটে পড়েছেন তারা। একদিকে এনজিওর ঋণের কিস্তি, অন্যদিকে পবিত্র রমজানে পরিবারের ভরণপোষণ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন উপকূলীয় এই মৎস্যজীবীরা।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধিত জেলেদের জাটকা সংরক্ষণ অভিযানের আওতায় মাসে ৪০ কেজি করে দুই মাসে মোট ৮০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। এছাড়া কয়েক হাজার জেলের জন্য বিশেষ খাদ্য সহায়তারও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার ১০ দিন পার হলেও মাঠ পর্যায়ে চাল বিতরণ শুরু হয়নি। জেলেরা বর্তমানে কর্মহীন হয়ে অলস সময় কাটাচ্ছেন এবং ঋণের জালে জর্জরিত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। দ্রুত সহায়তা না পেলে খাদ্য সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, নিবন্ধিত জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বিতরণের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই জেলেরা তাদের পাওনা চাল হাতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























