লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা বেল্লাল হোসেন মিশরী হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরমানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। ঢাকার কদমতলী থানার জুরাইন রেলগেট এলাকা থেকে গত রবিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃত আরমান রায়পুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের শাহ আলম বয়াতির ছেলে এবং পেশায় একজন রিকশাচালক। নিহত বেল্লাল হোসেন মিশরী রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
র্যাব জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রায়পুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর রিকশা দাঁড় করানোকে কেন্দ্র করে আরমানের সঙ্গে অপর রিকশাচালক বৃদ্ধ কবির মোহরির বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি বেধে যায়।
ঘটনাটি দেখতে পেয়ে যুবদল নেতা বেল্লাল হোসেন মিশরী তাদের থামাতে এগিয়ে যান। এসময় আরমান ক্ষিপ্ত হয়ে বেল্লালের বুকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এতে বেল্লাল গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
র্যাব-১১ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু আরও জানান, বেল্লাল হোসেন মিশরী নিহতের ঘটনায় তার স্ত্রী রহিমা আক্তার সিমু বাদী হয়ে রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলার একমাত্র আসামি আরমানকে গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রায়পুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























