মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

মেঘনায় উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৩ নং চন্দনপুর ইউনিয়নে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ১ শতাংশ স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর খাত থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায় মিলনের দোকান থেকে খোকন সওদাগরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর নাজিম বাড়ি থেকে রঘুনাথপুর ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট কাজের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার কাজও সম্পন্ন হয়নি বলে এলাকাবাসী দাবি করেছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি রাস্তার কোনো উন্নয়নকাজ না করেই পুরো বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবাদত উল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে, প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার জানিয়েছেন যে, তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের সন্ত্রাস বরদাশত করা হবে না: মামুনুল হক

মেঘনায় উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৩ নং চন্দনপুর ইউনিয়নে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ১ শতাংশ স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর খাত থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায় মিলনের দোকান থেকে খোকন সওদাগরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর নাজিম বাড়ি থেকে রঘুনাথপুর ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট কাজের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার কাজও সম্পন্ন হয়নি বলে এলাকাবাসী দাবি করেছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি রাস্তার কোনো উন্নয়নকাজ না করেই পুরো বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবাদত উল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে, প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার জানিয়েছেন যে, তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।