ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

স্থল অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘ভয়াবহ বিপর্যয়ের’ আশঙ্কা

কোনো সুনির্দিষ্ট অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য স্থল অভিযান বড় ধরনের কৌশলগত ভুল এবং চরম মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। একে একটি ‘ভয়াবহ দুর্যোগ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলা হচ্ছে যে, এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কেবল মার্কিন সেনাদের জন্য প্রাণঘাতী হবে না, বরং পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা তৈরি করবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথে হামলা বা দূরপাল্লার প্রযুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করা যতটা সহজ, স্থলভাগে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা তার চেয়ে বহুগুণ কঠিন। প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশ এবং স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রবল প্রতিরোধের মুখে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকেও চরম মূল্য দিতে হতে পারে। অতীতের বিভিন্ন যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে, স্থল অভিযানে নামার অর্থ হলো একটি অন্তহীন এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চোরাবালিতে পা দেওয়া।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন বাহিনীর জন্য যেমন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে, তেমনি এটি আন্তর্জাতিক মহলে দেশটিকে কূটনৈতিকভাবেও কোণঠাসা করে ফেলতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে সরাসরি পদাতিক সৈন্য মোতায়েন করা হলে তা স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে গেরিলা যুদ্ধের পথ প্রশস্ত করবে। সব মিলিয়ে, একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযান মার্কিন সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য বড় ধরনের ‘মরণফাঁদ’ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থল অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘ভয়াবহ বিপর্যয়ের’ আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৯:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

কোনো সুনির্দিষ্ট অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য স্থল অভিযান বড় ধরনের কৌশলগত ভুল এবং চরম মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। একে একটি ‘ভয়াবহ দুর্যোগ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলা হচ্ছে যে, এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কেবল মার্কিন সেনাদের জন্য প্রাণঘাতী হবে না, বরং পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা তৈরি করবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথে হামলা বা দূরপাল্লার প্রযুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করা যতটা সহজ, স্থলভাগে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা তার চেয়ে বহুগুণ কঠিন। প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশ এবং স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রবল প্রতিরোধের মুখে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকেও চরম মূল্য দিতে হতে পারে। অতীতের বিভিন্ন যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে, স্থল অভিযানে নামার অর্থ হলো একটি অন্তহীন এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চোরাবালিতে পা দেওয়া।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন বাহিনীর জন্য যেমন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে, তেমনি এটি আন্তর্জাতিক মহলে দেশটিকে কূটনৈতিকভাবেও কোণঠাসা করে ফেলতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে সরাসরি পদাতিক সৈন্য মোতায়েন করা হলে তা স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে গেরিলা যুদ্ধের পথ প্রশস্ত করবে। সব মিলিয়ে, একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযান মার্কিন সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য বড় ধরনের ‘মরণফাঁদ’ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।