একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে মাসউদ আহমাদের নতুন উপন্যাস ‘লাবণ্যর মুখ’।
কবি হিসেবে জীবনানন্দ দাশ আজ বিশিষ্ট ও জনপ্রিয়। কিন্তু কেমন ছিল জীবনানন্দ দাশ ও তাঁর স্ত্রী লাবণ্যর সম্পর্ক? ট্রাম দুর্ঘটনায় কবির রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে লাবণ্যর গোপন প্রভাব ও প্ররোচনা ছিল, এমন কথাও চাউর আছে। ঘনিষ্ঠজনের ভাষ্য: জীবনানন্দের বিবাহিত জীবন সুখের ছিল না। এমনকি নিজের বাসাতেই কবি থাকতেন বহিরাগতের মতো। কবির মৃত্যুর পর তাঁর গোপন ও প্রকাশ্য অনুরাগী পাঠক-গবেষকদের অনেকে সন্দেহ ও সমালোচনার তীর ছোড়েন—লাবণ্য কবির জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিলেন। কবিতাচর্চা ব্যাহত তো করেছেনই, মানসিক শান্তিও নষ্ট করেছেন। তিনি স্বার্থপর ও আত্মসুখপরায়ণ মহিলা। নিজেকে নিয়েই সব সময় ব্যস্ত থেকেছেন। কিন্তু বাস্তবে কেমন ছিল জীবনানন্দ-লাবণ্যর সম্পর্ক ও সংসার? তাঁদের ২৫ বছরের দাম্পত্যজীবনের পুরোটাই কি ভরা ছিল নীল বিষে? কী ছিল লাবণ্যর চাওয়া-পাওয়া স্বামী জীবনানন্দের কাছে? কবির সম্পর্কে কী ছিল লাবণ্যর অভিযোগ, ক্ষোভ কিংবা হতাশার কারণ? জীবনানন্দের কবিখ্যাতির নিচে পড়ে সবই চাপা পড়েছে। এই উপন্যাসে সেই চাপাপড়া গল্পে অনুসন্ধানী আলো ফেলা হয়েছে।
প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রচ্ছদ: শেখ আফজাল
দাম: ৩২০ টাকা
রিপোর্টারের নাম 



















