ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি অবিলম্বে চালুর দাবি

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি আবার চালু করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে হোপ কেয়ার গিভার্স ইনস্টিটিউট ও টার্গেট কম্পিউটার সিস্টেম ট্রেনিং সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তারা এ দাবি জানান।

খিলগাঁও রেলগেটস্থ নাহার টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব হল রুমে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হারুন রশীদের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্তাপনা পরিচালক আইউব মিয়া, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রব, জিয়া পরিষদ ঢাকা মহানগর স্বাস্থ্য বিভাগীয় সম্পাদক জুন্নুন রেজা চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তোফায়েল খান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি আবার চালু করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, আওয়ামী সরকারের সময় ২০১০ সালে কোনো কারণ ছাড়াই কৌর্সটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি অবিলম্বে চালুর দাবি

আপডেট সময় : ০৯:২৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি আবার চালু করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে হোপ কেয়ার গিভার্স ইনস্টিটিউট ও টার্গেট কম্পিউটার সিস্টেম ট্রেনিং সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তারা এ দাবি জানান।

খিলগাঁও রেলগেটস্থ নাহার টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব হল রুমে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হারুন রশীদের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্তাপনা পরিচালক আইউব মিয়া, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রব, জিয়া পরিষদ ঢাকা মহানগর স্বাস্থ্য বিভাগীয় সম্পাদক জুন্নুন রেজা চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তোফায়েল খান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার কৌর্সটি আবার চালু করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, আওয়ামী সরকারের সময় ২০১০ সালে কোনো কারণ ছাড়াই কৌর্সটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।