আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়া প্রায়শই সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। সরকারপ্রধান পরিবর্তন, রাজনৈতিক বন্দিত্ব কিংবা হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর বিষয়ে তাদের অবস্থান ও পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও, এই দুই দেশ তাদের নিজস্ব কৌশল অবলম্বনে অবিচল রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক ঘটনাবলীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভূমিকা তাদের নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং কৌশলগত মিত্রতার উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। এই দেশগুলো তাদের লক্ষ্য অর্জনে প্রায়শই এমন সব পন্থা অবলম্বন করে যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রচলিত ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তবে, তাদের নিজস্ব বিচার-বিশ্লেষণ এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে ভিন্ন ভিন্ন যুক্তি ও উদ্দেশ্য কাজ করে।
এই প্রসঙ্গে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপিত উদ্বেগ ও সমালোচনাগুলো প্রায়শই উপেক্ষা করা হয় অথবা নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করা হয়। সরকার পরিবর্তন, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট কিংবা সংঘাতময় পরিস্থিতিতে তাদের হস্তক্ষেপের ধরন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। একইসাথে, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন বা বিশেষ গোষ্ঠীর উপর দমন-পীড়নের অভিযোগের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক বিদ্যমান।
তবে, এই ধরনের অভিযোগ বা সমালোচনার মুখেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। তাদের এই অনড় অবস্থানের পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখার প্রয়াস। এর ফলে, অনেক সময়ই তারা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার বা মতামতের চেয়ে নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
—
রিপোর্টারের নাম 





















