ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

জমে উঠেছে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীর পাইকারি বাজার

ঈদকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীতে জমে উঠেছে পাইকারি তৈরি পোশাকের বেচাকেনা। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত ১৫ বছরের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার বিক্রি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শবেবরাতের পর শুরু হওয়া ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে, ঈদ পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট ও দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের ঈদ মৌসুমে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার তৈরি পোশাক পাইকারিভাবে বিক্রি হতে পারে। অথচ গত ১৫ বছরে ঈদ মৌসুমে গড়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার কোটি টাকার বিক্রি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার আগানগর গার্মেন্ট পল্লী ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পাইকাররা শেষ মুহূর্তে পোশাক কিনে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে ব্যস্ত। বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় অর্ধশতাধিক কুরিয়ার সার্ভিসে কাজের চাপ বেড়েছে। বড় বড় বস্তায় পোশাক পাঠানোর কারণে এলাকায় যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি মার্কেট হওয়ায় শবেবরাতের পরপরই বিক্রি শুরু হয় এবং ২০ রোজা পর্যন্ত তা থাকে তুঙ্গে। এরপর খুচরা বিক্রি বাড়ে। সারা দেশের শপিংমল ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখান থেকেই পোশাক সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে যাদের কোনো আইটেমের ঘাটতি পড়ে, তারাই শুধু ২০ রোজার পরে আসেন। ব্যবসায়ীরা ২০ রোজা পর্যন্ত বেচাকেনা শেষে বিভিন্ন জেলা শহরে ছুটবেন বকেয়া টাকা উত্তোলনে ।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী দেশের ভেতরের ৭০ ভাগ তৈরি পোশাকের চাহিদা মেটায়। এখানকার পোশাক ভালো মানের ও দাম কম হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে।

সমিতির সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা রিপন জানান, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীতে ১০-১২ হাজার উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ৬-৭ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। ঈদ ও শীত মৌসুমকে টার্গেট করেই সারা বছর উৎপাদন চলে। এ বছর নির্বাচিত নতুন সরকার আসায় বেচাকেনা বাড়ছে।

গার্মেন্ট ব্যবসায়ী মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক জানান, ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৪-৫ হাজার টাকার তৈরি পোশাক কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায় পাওয়া যায়। ঈদের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে বোরকা, প্যান্ট শার্ট, কুর্তা, ফতুয়া, হোশিয়ারি আইটেম, চায়না পোশাক, বেবি স্যুট, স্পেশাল বক্স আইটেমসহ শতাধিক তৈরি পোশাকের আইটেম বিক্রি হয় কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায়। বিশেষ করে গ্যাবাডিং ও জিন্স প্যান্ট, ভাঙচুর পাঞ্জাবি এবং চায়না পোশাকের চাহিদা বেশি।

মুসলিম কালেকশনের মুসলিম ঢালি জানায়, পাঞ্জাবি জন্য বিখ্যাত কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকা। তার উৎপাদিত ব্যাম্বো সিল্ক বেচাকেনার শীর্ষে রয়েছে। তিনি বলেন, এবার ভারতীয় পোশাক কম আমদানি হওয়ায় বাজার চলে গেছে চায়না পোশাকের দখলে। তিনি বলেন, ব্যাম্বো সিল্কের পাঞ্জাবি, রামপো সিল্ক, ফরমাল শার্ট, চেক শার্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে ।

পূর্ব আগানগরের আলম মার্কেট, জেলা পরিষদ মার্কেট, আশা কমপ্লেক্স, চরকালিগঞ্জ, নুরু মার্কেট, তানাকা মার্কেট, ইসলাম প্লাজা, আলম টাওয়ার, খাজা মার্কেট, শামসুল আলম মার্কেট, আলম মহল ও হান্নান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ভালো বিক্রি হওয়ায় তারা খুশি। তারা ২০ রোজা পর্যন্ত পাইকারি বিক্রি করবেন বলে জানান। ২০ রোজার পরে পাইকার কম আসে। তখন তারা কিছু খুচরাও বিক্রি করেন। ২৯ রোজা পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখবেন। খুচরা বিক্রির ক্ষেত্রে পাইকারির চেয়ে প্রতি পিস ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হবে।

এবার ঈদকে সামনে রেখে গ্যাবাডিং প্যান্ট, জিন্সের প্যান্ট, লেডিস আইটেম, লেহেঙ্গা, জিমি ২ কাপড়ের থ্রি পিস, বাচ্চাদের আফগান স্টাইলের পোশাক, থ্রি কোয়ার্টার, লেডিস জিন্স, ভাঙচুর পাঞ্জাবি, থাইল্যান্ডের জিন্সের প্যান্ট ও চায়না পোশাকের কদর বেশি বলে জানা যায়।

এনআরবিসি পিএলসি ব্যাংকের আগানগর শাখার ম্যানেজার বাপ্পি সাহা জানায়, তাদের ব্যাংকসহ কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায় ৩৫টি ব্যাংকের শাখা রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশ লেনদেনই গার্মেন্ট ব্যবসানির্ভর। তিনি জানান, এবার ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বেশি। এবারের ঈদ মৌসুমে ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নিরাপত্তা ও অতিরিক্ত কুরিয়ার চার্জ নিয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিক্রি বেশি হওয়ার কারণে কুরিয়ার সার্ভিসে মাল পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে বুকিং দিতে গেলেও অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। তবে স্থানীয় সুন্দরবন, এ জে আর, জননী, সওদাগর ও স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মালামাল বুকিংয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছ থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পায় না। এখানে শুধু ঢাকা জেলা ডিবি দক্ষিণ পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের টহল জোরদারের দাবি জানান। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ঠিক নয়। এলাকায় দুটি টিম মোবাইল ডিউটি করছে। হয়তো তাদের মতো করে হচ্ছে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জমে উঠেছে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীর পাইকারি বাজার

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ঈদকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীতে জমে উঠেছে পাইকারি তৈরি পোশাকের বেচাকেনা। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত ১৫ বছরের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার বিক্রি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শবেবরাতের পর শুরু হওয়া ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে, ঈদ পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট ও দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের ঈদ মৌসুমে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার তৈরি পোশাক পাইকারিভাবে বিক্রি হতে পারে। অথচ গত ১৫ বছরে ঈদ মৌসুমে গড়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার কোটি টাকার বিক্রি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার আগানগর গার্মেন্ট পল্লী ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পাইকাররা শেষ মুহূর্তে পোশাক কিনে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে ব্যস্ত। বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় অর্ধশতাধিক কুরিয়ার সার্ভিসে কাজের চাপ বেড়েছে। বড় বড় বস্তায় পোশাক পাঠানোর কারণে এলাকায় যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি মার্কেট হওয়ায় শবেবরাতের পরপরই বিক্রি শুরু হয় এবং ২০ রোজা পর্যন্ত তা থাকে তুঙ্গে। এরপর খুচরা বিক্রি বাড়ে। সারা দেশের শপিংমল ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখান থেকেই পোশাক সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে যাদের কোনো আইটেমের ঘাটতি পড়ে, তারাই শুধু ২০ রোজার পরে আসেন। ব্যবসায়ীরা ২০ রোজা পর্যন্ত বেচাকেনা শেষে বিভিন্ন জেলা শহরে ছুটবেন বকেয়া টাকা উত্তোলনে ।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী দেশের ভেতরের ৭০ ভাগ তৈরি পোশাকের চাহিদা মেটায়। এখানকার পোশাক ভালো মানের ও দাম কম হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে।

সমিতির সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা রিপন জানান, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লীতে ১০-১২ হাজার উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ৬-৭ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। ঈদ ও শীত মৌসুমকে টার্গেট করেই সারা বছর উৎপাদন চলে। এ বছর নির্বাচিত নতুন সরকার আসায় বেচাকেনা বাড়ছে।

গার্মেন্ট ব্যবসায়ী মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক জানান, ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৪-৫ হাজার টাকার তৈরি পোশাক কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায় পাওয়া যায়। ঈদের পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে বোরকা, প্যান্ট শার্ট, কুর্তা, ফতুয়া, হোশিয়ারি আইটেম, চায়না পোশাক, বেবি স্যুট, স্পেশাল বক্স আইটেমসহ শতাধিক তৈরি পোশাকের আইটেম বিক্রি হয় কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায়। বিশেষ করে গ্যাবাডিং ও জিন্স প্যান্ট, ভাঙচুর পাঞ্জাবি এবং চায়না পোশাকের চাহিদা বেশি।

মুসলিম কালেকশনের মুসলিম ঢালি জানায়, পাঞ্জাবি জন্য বিখ্যাত কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকা। তার উৎপাদিত ব্যাম্বো সিল্ক বেচাকেনার শীর্ষে রয়েছে। তিনি বলেন, এবার ভারতীয় পোশাক কম আমদানি হওয়ায় বাজার চলে গেছে চায়না পোশাকের দখলে। তিনি বলেন, ব্যাম্বো সিল্কের পাঞ্জাবি, রামপো সিল্ক, ফরমাল শার্ট, চেক শার্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে ।

পূর্ব আগানগরের আলম মার্কেট, জেলা পরিষদ মার্কেট, আশা কমপ্লেক্স, চরকালিগঞ্জ, নুরু মার্কেট, তানাকা মার্কেট, ইসলাম প্লাজা, আলম টাওয়ার, খাজা মার্কেট, শামসুল আলম মার্কেট, আলম মহল ও হান্নান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ভালো বিক্রি হওয়ায় তারা খুশি। তারা ২০ রোজা পর্যন্ত পাইকারি বিক্রি করবেন বলে জানান। ২০ রোজার পরে পাইকার কম আসে। তখন তারা কিছু খুচরাও বিক্রি করেন। ২৯ রোজা পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখবেন। খুচরা বিক্রির ক্ষেত্রে পাইকারির চেয়ে প্রতি পিস ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হবে।

এবার ঈদকে সামনে রেখে গ্যাবাডিং প্যান্ট, জিন্সের প্যান্ট, লেডিস আইটেম, লেহেঙ্গা, জিমি ২ কাপড়ের থ্রি পিস, বাচ্চাদের আফগান স্টাইলের পোশাক, থ্রি কোয়ার্টার, লেডিস জিন্স, ভাঙচুর পাঞ্জাবি, থাইল্যান্ডের জিন্সের প্যান্ট ও চায়না পোশাকের কদর বেশি বলে জানা যায়।

এনআরবিসি পিএলসি ব্যাংকের আগানগর শাখার ম্যানেজার বাপ্পি সাহা জানায়, তাদের ব্যাংকসহ কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট পল্লী এলাকায় ৩৫টি ব্যাংকের শাখা রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশ লেনদেনই গার্মেন্ট ব্যবসানির্ভর। তিনি জানান, এবার ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বেশি। এবারের ঈদ মৌসুমে ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নিরাপত্তা ও অতিরিক্ত কুরিয়ার চার্জ নিয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিক্রি বেশি হওয়ার কারণে কুরিয়ার সার্ভিসে মাল পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে বুকিং দিতে গেলেও অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। তবে স্থানীয় সুন্দরবন, এ জে আর, জননী, সওদাগর ও স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মালামাল বুকিংয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছ থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পায় না। এখানে শুধু ঢাকা জেলা ডিবি দক্ষিণ পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের টহল জোরদারের দাবি জানান। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ঠিক নয়। এলাকায় দুটি টিম মোবাইল ডিউটি করছে। হয়তো তাদের মতো করে হচ্ছে না।