ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও বিমানঘাঁটির সন্নিকটে বিকট বিস্ফোরণ, বাড়ছে উত্তেজনা

ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ও সামরিক বিমানঘাঁটির নিকটবর্তী এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিস্ফোরণটি এমন এক এলাকায় ঘটেছে যা ইরানের কৌশলগত নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসফাহানের এই অঞ্চলে দেশটির প্রধান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ও বড় ধরনের একটি বিমানঘাঁটি অবস্থিত। তবে এই বিস্ফোরণের ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না বা এর নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগেও ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে এই বিস্ফোরণের খবর এলো। নাতাঞ্জ হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের পরমাণুবিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থায় নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি রেজা নাজাফি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, দেশ দুটির যৌথ সাইবার বা সামরিক হামলার কারণেই নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নতুন করে ঘটা এই বিস্ফোরণের পেছনেও একই ধরনের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন: মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, দায়ীদের বিচারের দাবি ভাসানী জনশক্তি পার্টির

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও বিমানঘাঁটির সন্নিকটে বিকট বিস্ফোরণ, বাড়ছে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ও সামরিক বিমানঘাঁটির নিকটবর্তী এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিস্ফোরণটি এমন এক এলাকায় ঘটেছে যা ইরানের কৌশলগত নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসফাহানের এই অঞ্চলে দেশটির প্রধান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ও বড় ধরনের একটি বিমানঘাঁটি অবস্থিত। তবে এই বিস্ফোরণের ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না বা এর নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগেও ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে এই বিস্ফোরণের খবর এলো। নাতাঞ্জ হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের পরমাণুবিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থায় নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি রেজা নাজাফি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, দেশ দুটির যৌথ সাইবার বা সামরিক হামলার কারণেই নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নতুন করে ঘটা এই বিস্ফোরণের পেছনেও একই ধরনের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।