ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মশা নিধনে ঢাকা দক্ষিণে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু

মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মাসব্যাপী এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে। মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) সিটি করপোরেশনের ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, “মশা নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে আমরা মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চারটি স্তরে নিবিড় তদারকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব পর্যায় এবং প্রশাসক পর্যায়।” তিনি আরও জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় ইমামদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং নিয়মিত মাইকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে, নাগরিকরা যদি সচেতন না হন এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করেন, তবে অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের এই জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, “অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি আশ্বাস দেন যে, মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২৫০ জন কর্মী অংশ নেন। তারা খাল, ড্রেন, নর্দমা ও ফুটপাত পরিষ্কারের পাশাপাশি মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং ‘বিডি ক্লিন’ সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যা মশা নিধনে সম্মিলিত প্রয়াসের গুরুত্ব তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই মাসব্যাপী অভিযান মশার উপদ্রব কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুকে মোদির ফোন, কী কথা হলো

মশা নিধনে ঢাকা দক্ষিণে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মাসব্যাপী এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে। মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) সিটি করপোরেশনের ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, “মশা নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে আমরা মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চারটি স্তরে নিবিড় তদারকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব পর্যায় এবং প্রশাসক পর্যায়।” তিনি আরও জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় ইমামদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং নিয়মিত মাইকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে, নাগরিকরা যদি সচেতন না হন এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করেন, তবে অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের এই জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, “অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি আশ্বাস দেন যে, মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২৫০ জন কর্মী অংশ নেন। তারা খাল, ড্রেন, নর্দমা ও ফুটপাত পরিষ্কারের পাশাপাশি মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং ‘বিডি ক্লিন’ সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যা মশা নিধনে সম্মিলিত প্রয়াসের গুরুত্ব তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই মাসব্যাপী অভিযান মশার উপদ্রব কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।