ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের মূল উৎপাটন করা হবে: আইনমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান সরকার আইনসম্মতভাবে ফ্যাসিবাদী বিচার কার্যক্রমে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, আদালতের রায় সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং মানবতাবিরোধী বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা এই অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে, তাদেরও শেকড় উৎপাটন করা হবে।

মামলার জট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ হয়েছে। সঠিক সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। তিনি জানান, সাংবিধানিকভাবে প্রদত্ত অধ্যাদেশগুলো সময়মতো বিল আকারে সংসদে পেশ করা হবে। প্রথম অধিবেশনেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পেশ করার কথা রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি পয়সা যেন সঠিক জায়গায় খরচ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কেউ দুর্নীতির আশ্রয় নিলে শুধু চাকরিই হারাবে না, তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হবে।

মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, হানাহানি ও মারামারি সহ সকল ক্ষেত্রে প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ণ না হয়, সেদিকে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ঝিনাইদহ জেলাকে সমগ্র বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি সমতল ক্ষেত্র (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি শিশুদের তৃতীয় ভাষা শেখানো হবে

নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের মূল উৎপাটন করা হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান সরকার আইনসম্মতভাবে ফ্যাসিবাদী বিচার কার্যক্রমে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, আদালতের রায় সঠিক কিনা তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং মানবতাবিরোধী বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা এই অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে, তাদেরও শেকড় উৎপাটন করা হবে।

মামলার জট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ হয়েছে। সঠিক সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। তিনি জানান, সাংবিধানিকভাবে প্রদত্ত অধ্যাদেশগুলো সময়মতো বিল আকারে সংসদে পেশ করা হবে। প্রথম অধিবেশনেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পেশ করার কথা রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি পয়সা যেন সঠিক জায়গায় খরচ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কেউ দুর্নীতির আশ্রয় নিলে শুধু চাকরিই হারাবে না, তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হবে।

মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, হানাহানি ও মারামারি সহ সকল ক্ষেত্রে প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ণ না হয়, সেদিকে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ঝিনাইদহ জেলাকে সমগ্র বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি সমতল ক্ষেত্র (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।