ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এখন ইউরোপ ও আমেরিকার জন্য হুমকি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের এই সামরিক সক্ষমতা এখন কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ইউরোপে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ এবং খোদ মার্কিন মূল ভূখণ্ডের জন্যও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্প পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং একই সঙ্গে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। এর ফলে বিদেশে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাসদস্যরা সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিকে একটি ‘আসন্ন বিপদ’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ইরানকে এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে। তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ‘উগ্র ও স্বৈরশাসিত’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও উভয় পক্ষই আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির কথা জানিয়েছে, তবে ট্রাম্প এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ওয়াশিংটন যে ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং শর্তাবলি চাইছে, ইরান তা মানতে এখনো রাজি হয়নি। ট্রাম্পের সাফ কথা, “ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে রাখতে পারবে না।”

এদিকে, তেহরানের ওপর নতুন একটি চুক্তির জন্য ওয়াশিংটন ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে চলেছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কূটনীতি ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে ‘প্রস্তুত এবং সক্ষম’। উল্লেখ্য যে, শুক্রবার পর্যন্ত ইরানে হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা না জানালেও, শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক তৎপরতা শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে আসা সম্ভাব্য হুমকি নির্মূল করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে প্রাণ গেল যুবকের: সিরাজগঞ্জে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এখন ইউরোপ ও আমেরিকার জন্য হুমকি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরানের এই সামরিক সক্ষমতা এখন কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ইউরোপে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ এবং খোদ মার্কিন মূল ভূখণ্ডের জন্যও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্প পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং একই সঙ্গে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। এর ফলে বিদেশে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাসদস্যরা সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিকে একটি ‘আসন্ন বিপদ’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ইরানকে এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে। তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ‘উগ্র ও স্বৈরশাসিত’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও উভয় পক্ষই আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির কথা জানিয়েছে, তবে ট্রাম্প এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ওয়াশিংটন যে ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং শর্তাবলি চাইছে, ইরান তা মানতে এখনো রাজি হয়নি। ট্রাম্পের সাফ কথা, “ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে রাখতে পারবে না।”

এদিকে, তেহরানের ওপর নতুন একটি চুক্তির জন্য ওয়াশিংটন ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে চলেছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কূটনীতি ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে ‘প্রস্তুত এবং সক্ষম’। উল্লেখ্য যে, শুক্রবার পর্যন্ত ইরানে হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা না জানালেও, শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক তৎপরতা শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে আসা সম্ভাব্য হুমকি নির্মূল করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।